পদ্মা সেতু a to z I Best bridge

পদ্মা সেতু a to z

সম্মানিত পাঠক ভাই ও বোনেরা খুব সংক্ষিপ্ত আকারে পদ্মা সেতু a to z নিয়ে কিছু তথ্য সরে করতেছি আশা করি খুব ভালো লাগবে এবং আপনাদের কাজে আসবে। পদ্মা সেতু বাংলাদেশের পদ্মা নদীর উপর নির্মিত একটি বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু যা বর্তমানে বাংলাদেশের জন্য গর্ভের বিষয় যা এটি বিশ্বের কাছে মাথা উঁচু করে দিয়েছে। এই সেতুর মাধ্যমে মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ের সাথে শরীয়তপুর ও মাদারীপুর জেলা যুক্ত হয়ে দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব গুলি জেলার সাথে যুক্ত হয়েছে। উদ্বোধনের তারিখ পদ্মা সেতু নির্ধারণ করা হয়েছে ২০২২ সালের ২৫ জুন ।

দুই স্তর বিশিষ্ট স্টিল ও কংক্রিট নির্মিত ট্রাসের এই সেতুর উপরের স্তরে চার লেনের সড়ক পথ এবং নিচের স্তরে একটি একক রেলপথ রয়েছে। পদ্মা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা নদীর অববাহিকায় ৪২টি পিলার ও ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের ৪১টি স্প্যানের মাধ্যমে মূল অবকাঠামো তৈরি করা হয়। সেতুটির দৈর্ঘ্য ৬.১৫০ কিলোমিটার এবং প্রস্থ ১৮.১০ মিটার। পদ্মা সেতু a to z

আরো দেখুন : গোপন ক্যামেরা দাম ২০২২

প্রাচীন বাংলার জনপদ কতটি

ঢাকা থেকে বগুড়া কত কিলোমিটার

ল্যাংড়া আম চেনার উপায়

ঢাকা থেকে নওগাঁ কত কিলোমিটার

সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী

বর্তমানে লালমনি এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী

সকালে খালি পেটে খেজুর খাওয়ার উপকারিতা

বর্তমানে দ্রুতযান এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী

প্রতিদিন কয়টি লবঙ্গ খাওয়া উচিত

বর্তমানে রসুন খাওয়ার উপকারিতা কী

ওয়াল টাইলস ডিজাইন ২০২২

খুব সহজে হারানো মোবাইল ফিরে পাবেন

সেলাই মেশিন দাম ২০২২

আকিজ ফ্লোর টাইলস দাম ২০২২

এলজি ওয়াশিং মেশিন দাম ২০২২

কালোজিরার উপকারিতা কি কি

কালোজিরার ক্ষতিকর দিক গুলো কি

সিঙ্গার ফ্রিজ বাংলাদেশ প্রাইজ

পদ্মা সেতু a to z

আপনাদের সুবিধার্থে আমরা পদ্মা সেতুর এটুজেট আপনাদের সামনে একটি টেবিলের মাধ্যমে তুলে ধরছি।

পদ্মা সেতুর প্রকল্পের নাম: পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্প।

পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য: ৬.১৫ কিলোমিট।

পদ্মা সেতুর প্রস্থ: ৭২ ফুট।

পদ্মা সেতুর স্প্যান সংখ্যা: ৪১ লেন।

পদ্মা সেতুর রেল লাইনের অবস্থান: পদ্মা সেতুর রেল লাইনের অবস্থান নিচতলায়।

পদ্মা সেতুর ভায়াডাক্ট: ৩.১৮ কিলোমিট।

পদ্মা সেতুর সংযোগ সড়ক: দুই প্রান্তে প্রায় ১৪ কিলোমিটার।

পদ্মা সেতুর প্রকল্প নদী শাসন: দুই পারে প্রায় ১২ কিলোমিটার।

পদ্মা সেতুর প্রকল্প ব্যয়: ৩০ হাজার ১৯৩ দশমিক ৩৯ কোটি টাকা।

পদ্মা সেতুর প্রকল্পের জনবল: প্রায় ৪ হাজার।

পদ্মা সেতুর ভায়াডাক্ট পিলার: ৮১ টি।

পানির স্তর থেকে পদ্মা সেতুর উচ্চতা: ৬০ ফুট।

পদ্মা সেতুর পাইলিং গভীরতা: ৩৮৩ ফুট।

পদ্মা সেতুর প্রতিটি পিলারের জন্য পাইলিং: ৬ টি।

পদ্মা সেতুর মোট পাইলিং সংখ্যা: ২৬৪ টি।

পদ্মা সেতুতে যা যা থাকবে: বিদ্যুৎ, গ্যাস এবং অপটিক্যাল ফাইবার লাইন।

পদ্মা সেতুর ধরন: দ্বিতল বিশিষ্ট কংক্রিট এবং স্টিল দ্বারা নির্মিত এই সেতু।

পদ্মা সেতুর পিলার কয়টি: ৪২ টি।

পদ্মা সেতুর প্রকল্পের চুক্তিবদ্ধ কম্পানি: চায়না রেলওয়ে গ্রুপ লিমিটেড।

পদ্মা সেতুর নকশা: এইসিওএমের নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক এবং জাতীয় পরামর্শকদের নিয়ে একটি দল গঠন করা হয়। আর তারাই হচ্ছে পদ্মা সেতুর নকশা পরামর্শদাতা।

পদ্মা সেতুর প্যানেলের সভাপতির নাম: অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী।

পদ্মা সেতুর স্প্যান বিশেষজ্ঞ দল সদস্য সংখ্যা: ১১ জন।

পদ্মা সেতুর কাজ: মূল সেতু, নদী শাসন, জাজিরা সংযোগকারী সড়ক, টোল প্লাজা.

পদ্মা সেতু নির্মাণের আনুষ্ঠানিক চুক্তি: ১৭ই জুন, ২০১৪ইং সালে বাংলাদেশ সরকার এবং চিনা চায়না মেজর ব্রিজ কোম্পানির সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়।

পদ্মা সেতু নির্মাণের ইতিহাস – পদ্মা সেতু a to z

সর্ব প্রথমে ১৯৯৮ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর রাজধানী ও দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনের লক্ষ্যে ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা-খুলনা মহাসড়কে পদ্মা নদীর ওপর সেতু নির্মাণের জন্য ৩,৬৪৩.৫০ কোটি টাকা প্রস্তাব করা হয়েছিল। ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং ১৮.১০ মিটার চওড়া এই সেতুটিকে দেশের সম্ভাব্য দীর্ঘতম সেতু হিসাবে বিবেচনা করা হয়। ১৯৯৯ সালের জুলাই মাসে নির্মাণ কাজ শুরু করার এবং ২০০৪ সালের জুনে শেষ করার প্রস্তাব করা হয়েছিল। পদ্মা সেতু a to z

আরো দেখুন : শার্প ফ্রীজ দাম ২০২২

ওয়াল্টন রুম হিটার দাম ২০২২

এয়ার কুলারের দাম ২০২২

হিকভিশন সিসি ক্যামেরা দাম ২০২২

প্রস্তাবিত পরিমাণ ২৬৯৩.৫০ কোটি টাকা বিদেশী উৎস থেকে এবং ৭৫০ কোটি টাকা জাতীয় উৎস থেকে জোগান দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। কিন্তু সেই স্বপ্ন শুধু স্বপ্নই থেকে যায় মানুষের কাছে। এরপর আবার নতুন করে ,মূল পরিকল্পনা হাতে নেয় এইসিওএম-এর নকশায় পদ্মা নদীর উপর বহুমুখী আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্প ‘পদ্মা বহুমুখী সেতুর’ নির্মাণকাজ শুরু করবে বলে। সেটি আবারো ২০১১ সালে এবং শেষ ২০১৩ সালে হওয়ার কথা ছিল। তারপর মূল প্রকল্পের পরিকল্পনা করে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকার ২০০৭ সালের ২৮ আগস্টে।

 

সে সময় ১০ হাজার ১৬১ কোটি টাকার পদ্মা সেতু প্রকল্প পাস করা হয় কয়েক দফায়। পরে আওয়ামী লীগ সরকার এসে রেলপথ সংযুক্ত করে ২০১১ সালের ১১ জানুয়ারি প্রথম দফায় সেতুর ব্যয় সংশোধন করে। তখন এর ব্যয় ধরা হয়েছিল ১০ হাজার ৫০৭ কোটি টাকা। পদ্মা সেতুর ব্যয় আরও আট হাজার কোটি টাকা বাড়ানো হয়। ফলে তখন পদ্মা সেতুর ব্যয় দাঁড়ায় সব মিলিয়ে ২৫ হাজার ৭৯৩ কোটি টাকা। পদ্মা সেতু a to z

বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ (বাসেক) ২০১০ সালের এপ্রিলে প্রকল্পের জন্য প্রাক যোগ্যতা দরপত্র আহবান করে। প্রথম পরিকল্পনা অনুসারে, ২০১১ সালের শুরুর দিকে সেতুর নির্মাণ কাজ আরম্ভ হওয়ার কথা ছিল এবং ২০১৩ সালের মধ্যে প্রধান কাজগুলো শেষ হওয়ার কথা ছিল। পরিকল্পনা অনুসারে প্রকল্পটি তিনটি জেলাকে অন্তর্ভুক্ত করবে- মুন্সীগঞ্জ (মাওয়া পয়েন্ট/উত্তর পাড়), শরীয়তপুর এবং মাদারীপুর (জঞ্জিরা/দক্ষিণ পাড়)। এটির জন্য প্রয়োজনীয় এবং অধিগ্রহণকৃত মোট জমির পরিমাণ ৯১৮ হেক্টর। সবশেষে পদ্মা সেতুর ব্যয় দাঁড়ায় সব মিলিয়ে ৩০ হাজার কোটি টাকা।

পদ্মা সেতু বিশ্বের কততম সেতু – পদ্মা সেতু a to z

প্রিয় ভিজিটর ভাই ও বোনেরা যারা কমেন্ট করে জানতে চেয়েছেন এবং বিভিন্ন জায়গায় সার্চ দিয়ে খুঁজে থাকেন তাদের জন্য আমাদের ওয়েব সাইট নিয়ে এসেছে সঠিক তথ্য। গুগল সার্চ করে যারা এলোমেলো প্রশ্ন করে উত্তর খুঁজে পাননি তাদের কে আজ জানিয়ে দিবো পদ্মা সেতু বিশ্বের কততম সেতু এর আসল উত্তর তাহলে চলুন আর দেরি কিসের এখন জেনে নিতে পারবেন সেটি হলো পদ্মা সেতু হচ্ছে সারা বিশ্বের ১২২ তম সেতু।

তবে আরো একটি কথা জেনে রাখেন তবে আমাদের পদ্মা সেতু সুইডেনের অল্যান্ড ব্রিজকে পেছনে ফেলে ১২২ তম অবস্থান করে জায়গা নিয়েছে। পদ্মা সেতু বিশ্বকে অবাক করে দিয়েছে এই গরিব দেশটি কিভাবে এতো বড়ো সেতু নির্মাণ করতে পারলো তা শুধুই এখন ভাববার বিষয়। বাংলাদেশ সরকার নিজস্ব অর্থায়নে এবং কিছু চীন থেকে ঋণ নিয়ে এই সেতুটি নির্মাণ করেছে। এই সেতুটি দেশের এবং বাহিরের মানুষের কাছে ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করে দিয়েছে। পদ্মা সেতু a to z I

পদ্মা সেতু কত কিলোমিটার | পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য কত | Padma Bridge Length

কলিজার টুকরা পাঠক ভাই ও বোনেরা আপনি কি জানেন পদ্মা সেতু কত কিলোমিটার। যদি না জেনে থাকেন তাহলে আমাদের এই ওয়েবসাইট টি ফলো করে রাখতে পারেন এবং নিয়মিত ভিজিট করে দেখতে পারবেন নতুন নতুন আপডেট তথ্য যে গুলা আপনাদের দৈনন্দিক জীবনে বিভিন্ন কাজে লাগে। যারা গুগল সার্চ করে জানতে চান তাদের জন্য আমাদের পক্ষ থেকে আমরা জেনে দিয়ে চাই সঠিক তথ্য। পদ্মা সেতু a to z

তাহলে এখন জেনে নিতে পারেন পদ্মা সেতু কত কিলোমিটার তা হচ্ছে সেতুটির দৈর্ঘ্য ৬.১৫০ কিলোমিটার এবং প্রস্থ ১৮.১০ মিটার। যা মুঞ্চিগঞ্জের মাওয়া ঘাট থেকে শরীয়তপুর ও মাদারীপুরের জাজিরা ঘাট পর্যন্ত। বাংলাদেশের এটি সব চেয়ে চেয়ে বড়ো সেতু এর পূর্বে যমুনা সেতু নির্মিত হয়েছে সেটার দৈর্ঘ্য ছিল ৪.৮ কিলোমিটার। পদ্মা সেতু টির দৈর্ঘ্য বেশি হওয়ার কারণে এর বাজেট প্রথমে ছিল ১০ হাজার কোটি টাকা। কিন্ত পরবর্তী সময়ে রেল সংযোগ করা ও জমিগ্রহনের কারণে তা দফায় দফায় বাজেট বাড়িয়ে শেষ দাঁড়িয়েছে ৩০ হাজার কোটি টাকা।

 

পদ্মা সেতু সম্পর্কে সাধারণ জ্ঞান – পদ্মা সেতু a to z

পদ্মা সেতু হচ্ছে বাংলাদেশের মানুষের এক স্বপ্নের প্রকল্প। আপনারা যারা পদ্মা সেতু সম্পর্কে সাধারণ জ্ঞান অর্জন করতে চান তাদের জন্য আমাদের এই ওয়েবসাইট এই আর্টিকেলটি নিয়ে হাজির হয়েছি। যা হয়তো আপনারা এই বিশাল সেতু প্রকল্পর সকল খুঁটিনাটি ইনফরমেশন গুলি জানতে পারবেন। তাহলে চলুন আমরা আর দেরি না করে এবার জেনে নেই পদ্মা সেতু সম্পর্কে সকল সাধারণ জ্ঞান।

পদ্মা সেতু বাংলাদেশের এবংবিশেষ করে দক্ষিণাঞ্চল মানুষদের জন্য অন্যতম স্বপ্নের একটি দীর্ঘতম সেতু। ঢাকা হতে দক্ষিণাঞ্চলের চলার পথ অনেক সহজ করে দিয়েছে এবং সময়কে অনেক সংক্ষিপ্ত করে দিবে। সেতুর পূর্বে ফেরিতে যাতায়াতের কষ্ট ছিল অনেক দুর্ঘটনা মোকাবেলা করে পারাপার হওয়া লাগতো। পদ্মা সেতু হওয়াতে দক্ষিণাঞ্চল মানুষের মনে আশা হাসি মুখে ভোরে গেছে।

তারা এখন আর লঞ্চে ফিরিয়ে পারাপার হতে হবেনা এর চেয়ে আনন্দের কি হতে পারে। ইতিমধ্যে পদ্মা সেতুর প্রকল্পের কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে এবং টোল নির্ধারণ করা হয়ে গিয়েছে। ২০১৮ সাল থেকে শুরু হয় এই পদ্মা সেতুর কাজ। আর ২০২২ সালে এসে পদ্মা সেতুর কাজ সমাপ্তি ঘটে। বাংলাদেশের অন্যতম যোগাযোগ ব্যবস্থার নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে পদ্মা সেতুর মাধ্যমে।

যেখানে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ ঢাকা হতে তাদের গন্তব্যে পৌঁছতে প্রায় ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা সময় ব্যয় হতো সেখানে পদ্মা সেতু হওয়ার কারণে সকল দক্ষিণাঞ্চল মানুষের জন্য প্রায় ৪ থেকে ৫ ঘণ্টার মধ্যে গন্তব্যে পৌঁছতে পারবে। সময়ের একটি বিশাল ব্যবধান এর মধ্যে দিয়ে পদ্মা সেতু স্বপ্ন বাস্তবায়িত হচ্ছে। পদ্মা সেতুতে শুধু বাস পরিবহনে যাতায়াত করতে হবেনা ট্রেন যাতায়াতের ব্যবস্থা রয়েছে। যা অতি দ্রুত ঢাকা আশা যাওয়া করা যাবে।

পদ্মা সেতুর বাজেট ২০২২ – পদ্মা সেতু a to z

প্রিয় পাঠক রা আপনারা কি জানেন পদ্মা সেতুর বাজেট খরচ কত। যদি না জেনে থাকেন তাহলে আমাদের এই ওয়েবসাইট থেকে এখন জেনে নিতে পারেন। পদ্মা সেতু নির্মাণের জন্য প্রথমে বাজেট ছিল ১০ হাজার কোটি টাকা। তা বিভিন্ন ধাপে ধাপে নির্মাণ খরচ বেড়ে যাওয়াতে এরপর ২৫ হাজার কোটি টাকা দাঁড়িয়ে যায়। এই সময়ে কাজ সম্পন্ন না হতে পেতে যা পরবর্তী সময়ে আবারো বাজেট করছি দাঁড়িয়ে যায় ৩০ হাজার কোটি টাকায়।

পদ্মা সেতু নির্মাণে মোট খরচ করা হয় ৩০ হাজার ১৯৩ দশমিক ৩৯ কোটি টাকা। এসব ৩০ হাজার ১৯৩ দশমিক ৩৯ কোটি টাকা খরচের মধ্যে রয়েছে সেতুর অবকাঠামো তৈরি, নদী শাসন, সংযোগ সড়ক, ভূমি অধিগ্রহণ, পুনর্বাসন ও পরিবেশ, বেতন-ভাতা ইত্যাদি। এটাই সর্বশেষ বাজেট করছি ধরা হয়েছে যা মানুষের কাছে সত্যি অবাক করার মতো বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। পদ্মা সেতু a to z

পদ্মা সেতু টোল কত – পদ্মা সেতু a to z

সম্মানিত ভিজিটর ভাই ও বোনেরা আপনার কি জানেন পদ্মা সেতুর টোল কত। যদি না জেনে থাকেন তাহলে এখন জেনে নিতে পারেন যা হয়তো আপনাদের অনেক সময় কাজে লাগতে পারে। আসছে জুনের শেষে ২৫ তারিখে উদ্বোধনের কথা প্রচার করে দেয়া হয়েছে। দক্ষিণ জনপদের স্বপ্নের পদ্মাসেতু ‍খুলে দেওয়ার প্রস্তুতির মধ্যেই যানবাহনের টোলের হার চূড়ান্ত করেছে সরকার। চলুন তাহলে জেনে নেয়া যাক :
বাহন পদ্মা সেতু ফেরি বঙ্গবন্ধু সেতু

মোটর সাইকেল ১০০ টাকা ৭০ টাকা ৫০ টাকা

কার-জিপ ৭৫০ টাকা ৫০০ টাকা ৫৫০ টাকা

পিকআপ ১২০০ টাকা ৮০০ টাকা ৬০০ টাকা

মাইক্রোবাস ১৩০০ টাকা ৮৬০ টাকা ৬০০ টাকা

ছোট বাস ১৪০০ টাকা ৯৫০ টাকা ৭৫০ টাকা

মাঝারি বাস ২০০০ টাকা ১৩৫০ টাকা ১০০০ টাকা

বড় বাস ২৪০০ টাকা ১৫৮০ টাকা ১০০০ টাকা

ছোট ট্রাক ১৬০০ টাকা ৮০০-১০৮০ টাকা ১০০০ টাকা

মাঝারি ট্রাক ২১০০ টাকা ১৪০০ টাকা ১২৫০ টাকা

মাঝারি ট্রাক ২৮০০ টাকা ১৮৫০ টাকা ১৬০০ টাকা

ট্রেইলার ৫৫০০ টাকা ৩৯৪০ টাকা ২০০০ টাকা

ট্রেইলার ৬০০০ টাকা ৩০০০ টাকা

ট্রেইলার (ফোর এক্সেলের অধিক) ৬০০০ + প্রতি এক্সেলে ১৫০০ টাকা ৩০০০+প্রতি এক্সেলে ১০০০ টাকা

 

পদ্মা সেতু অনুচ্ছেদ – পদ্মা সেতু a to z

বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু পদ্মা বহুমুখী সেতু। কোনােরূপ বৈদেশিক সাহায্য ছাড়াই বাংলাদেশের নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়িত সর্ববৃহৎ প্রকল্প এই স্বপ্নের পদ্মা সেতু। এটা দেশের বৃহত্তম প্রকল্প এবং নির্মাণপরবর্তী সময়ে এটা হবে দেশের সর্ববৃহৎ সেতু। সেতুটি নির্মিত হবে কংক্রিট ও স্টিল দিয়ে। মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কি.মি এবং প্রস্থে ১৮.১০ মিটার।

মুন্সিগঞ্জ জেলার মাওয়া থেকে শরীয়তপুর জেলার জাজিরা পর্যন্ত সংযুক্ত এই সেতুটি দুই স্তর বিশিষ্ট। এর উপরের স্তরে রয়েছে চার লেনের সড়ক পথ এবং নিচের স্তরে একটি রেলপথ। পদ্মা সেতু কে ভবিষ্যতে রেল, গ্যাস, বৈদ্যুতিক লাইন এবং ফাইবার অপটিক কেবল সম্প্রসারণের কাজে ব্যবহার করা হবে। পদ্মা বহুমুখী সেতুর সম্পূর্ণ নকশা এইসিওএমের নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক ও জাতীয় পরামর্শকদের নিয়ে গঠিত একটি দল তৈরি করে।

সেতুটি তৈরির জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছে চায়না রেলওয়ে গ্রুপ লিমিটেড এর আওতাধীন চায়না মেজর ব্রীজ নামক একটি কোম্পানী। কাজ শুরু হয় ৭ ডিসেম্বর ২০১৪ এবং ২০২০ সালের নভেম্বর পর্যন্ত, ৯২% পদ্মা বহুমুখী সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। পদ্মা সেতু নির্মাণকারী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি জানিয়েছে, পদ্মা সেতু যান চলাচলের উপযোগী হতে ২০২২ সালের এপ্রিল মাস পর্যন্ত লেগে যাবে। প্রকল্পটির ফলে প্রত্যক্ষভাবে ( ৪৪,০০০ বর্গ কিঃমিঃ যা বাংলাদেশের মোট আয়তনের ২৯% অঞ্চল ) ৩ কোটিরও অধিক জনগণ প্রত্যক্ষভাবে উপকৃত হবে।

৩০ হাজার কোটি টাকারও অধিক ব্যয়ে এই সেতুটি নির্মাণ সম্পন্ন হলে তা বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও শিল্প বিকাশে উল্লেখযােগ্য অবদান রাখবে। পদ্মা সেতু a to z I এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে এই সেতু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বাংলাদেশের মানুষের স্বপ্নের পদ্মাসেতু আজ বাস্তবায়িত হওয়ার পথে। দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের অভিযােগে বিশ্বব্যাংক ও দাতাগােষ্ঠী সরে গেলেও বাংলাদেশ সরকার পিছু হটেনি। সরকার নিজস্ব অর্থায়নে এ সেতু নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয় আর সে অনুযায়ী কাজও এগিয়ে চলেছে। পদ্মাসেতুর কাজ স্বাভাবিক গতিতেই এগিয়ে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সবাই আশা করছেন, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই সেতু নির্মাণের কাজ শেষ হবে।

 

সবশেষে বলতে চাই পদ্মা সেতু a to z এর উপর যে আর্টিকেলটি প্রকাশ করেছি আশা করি আপনার অনেক অনেক উপকার হবে এবং অনেক কিছু অজানা তথ্য পেয়ে গেলেন। এই রকম তথ্য পেতে আমাদের ওয়েবসাইট টি নিয়মিত ভিজিট করে আমাদের কে ধন্য করবেন। আপনাদের ভালোবাসা অনুপ্রেরণাই আমাদের আগামী দিনের পথ চলার সাহস যোগায়। আমাদের মাঝে ভালোবাসার বন্ধন টুকু এই রকম ভাবে চিরদিন অটুট থাকুক এই প্রত্যাশায় এই কামনায় আজ বিদায় নিচ্ছি আবার দেখা হবে কথা হবে নতুন কোনো তথ্য নিয়ে। সে পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন আর আমাদের ওয়েব সাইটের সাথেই থাকবেন ধন্যবাদ সবাইকে।

 

Leave a Comment